আজ মঙ্গলবার, ৯ই আগস্ট, ২০২২ ইং, ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ.

এখন সকাল ১০:৫৬ মিঃ

বাংলাদেশ শান্তির দল কর্তৃক ১৯ দফা কর্মসূচির ঘোষণা পত্র ।

 

বাংলাদেশ শান্তির দল
কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত ও প্রচারিত

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
বাংলাদেশ শান্তির দল
ঘোষণাপত্র
বাংলাদেশে আজ দুর্নীতি, সুদ, ঘুষ, গুম ও হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ভ‚মি দস্যুতা, শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারী, ব্যবসায়ে অবৈধ মুনাফা অর্জন, কতিপয় এন.জি.ও কর্র্তৃক বাণিজ্যিক ব্যাংক অপেক্ষা অধিক হারে সুদ/ সার্ভিস চার্জ আদায়,
খাদ্যে ভেজাল-ফরমালিন মিশ্রণ, সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ বাণিজ্য, নারী, শিশু পাচার ও নির্যাতন, ইভটিজিং, মাদক দ্রব্যের আগ্রাসন, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্প  কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ, অবরোধ, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার
অন্যায় ও অপরাধ এক চরম বিপর্যয়কর রূপ ধারণ করিয়াছে। তাই, মানুষ আজ নানাবিধ দুঃখ দুর্দশা ও অশান্তিতে নিপতিত হইয়াছে। ইহা ছাড়াও দুঃখজনক বিষয় এই যে, ৩০ লক্ষ শহীদের পবিত্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরে
আজও বাংলাদেশে মানসম্পন্ন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয় নাই। বৃহত্তম দলগুলি একে অপরকে ভোট কারচুপি ও ভোটে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করিয়া আসিতেছে। এই অভিযোগে তারা পরস্পর নজিরবিহীন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত
আছে এবং জাতীয় অনৈক্য ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হইয়াছে। যাহার ফলে অর্থনৈতিক, উন্নতি, শান্তি ও শৃঙ্খলা বাধাগ্রস্থ হইতেছে।
তাই জাতীয় জীবনের এই মহাবিপদ ও সমস্যা হইতে মুক্তি পাইতে আমাদেরকে উপরে বর্ণিত অন্যায় ও অপরাধসমূহকে চিহ্নিত করিয়া উহা অবসানের লক্ষ্যে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন গড়িয়া তোলা প্রয়োজন। উক্ত লক্ষ্য অর্জনে আমাদেরকে ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সমাজ জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনের সর্বত্র “ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ” এর কার্যক্রম পরিচালনা করিতে হইবে এবং উক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ শান্তির দল নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়িয়া তোলা হইয়াছে। এই কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক ২ মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্রীয় আইনের আলোকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হইবে। জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে ন্যায়ের আদেশের মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠা করা এবং অন্যায়ের নিষেধের মাধ্যমে মিথ্যা বিদুরীত করা বাংলাদেশ শান্তির দলের অন্যতম লক্ষ্য। উক্ত লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদেরকে ব্যাপকভাবে সাংগঠনিক কমিটি গঠন করিয়া গণজাগরন ও গণবিজয়ের মাধ্যমে সকল অন্যায়, অবিচার ও অপরাধের মূল উৎপাটন করিতে হইবে। বাংলাদেশ শান্তির দল চলমান সকল অন্যায় ও অবিচারের বিপরীতে ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশ শান্তির দলের ১৯ দফা কর্মসূচীর ঘোষণাপত্র নিম্নরূপ-

১৯ দফা কর্মসূচী

১। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী ও জাতীয় ঐক্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশ প্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এই দল বাংলাদেশে একটি আধুনিক ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়িয়া তুলিবে এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণের মধ্যে দৃঢ় জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত করিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখিবে।
২। রাজনীতিতে কালো টাকা, পেশীশক্তি ও রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহারের অবসান করা ৪ বাংলাদেশ শান্তির দল গণতন্ত্রের যথাযথ বিকাশের জন্য নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে কালো টাকা, পেশী শক্তি এবং রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহারের চির অবসান করিবে। এই দল প্রতিটি রাজনৈতিক দলের সকল স্তরে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাহী কমিটি গঠন করায় বিশ্বাসী। এই দল রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রতিহিংসা ও হানহানি অবসানক্রমে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করিবে।

৩। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাজনিত মৌলিক চাহিদা পূরণ ও সহজলভ্য করা বাংলাদেশ শান্তির দল বাংলাদেশের জনগণের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ সকল মৌলিক চাহিদা পূরণ ও উহা সহজলভ্য করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সকল পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করিবে এবং উক্ত মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সকলের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করিবে।

৪। শত ভাগ শিক্ষা এবং যুগোপযোগী সাধারণ ও কারিগরী শিক্ষা বাংলাদেশ শান্তি দল সকলের জন্য শিক্ষা তথা দেশের শতভাগ লোককে
শিক্ষিত করিয়া তোলায় এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সহায়ক যুগোপযোগী সাধারণ ও কারিগরী শিক্ষানীতি প্রণয়নে বিশ্বাসী। শান্তির দল সরকারি ব্যয়ে শিক্ষিত ও অশিক্ষিত বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ প্রদানক্রমে বিদেশে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করিবে এবং ত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য মুনাফাবিহীন ঋণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করিবে।

৫। মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আলোকে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নতি করা বাংলাদেশ শান্তির দল মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আলোকে কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিশ্ব মানের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান গড়িয়া তুলিবে এবং ন্যায় ভিত্তিক সুষম বন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে সকলের জন্য ৫ অর্থনৈতিক মুক্তি ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান করিবে। ইহা ছাড়াও শান্তির দল অর্থনৈতিক উন্নতি তরান্বিত করার জন্য সড়ক, রেল, বিমান ও নৌ পরিবহনসহ সকল যোগাযোগ ব্যবস্থার সর্বাত্মক উন্নতি সাধন করিবে।

৬। গণমুখী, জবাবদিহিমূলক দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়িয়া তোলা বাংলাদেশ শান্তির দল বাংলাদেশে একটি গণমুখী, জবাব দিহিমূলক, কার্যকর
ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়িয়া তুলিবে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সকলের জন্য অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা জনিত
নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান করিবে।

৭। ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা গড়িয়া তোলা বাংলাদেশ শান্তির দল বাংলাদেশে স্বতন্ত্র ও স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অধঃস্তন আদালতের জজ ও বিচারিক ম্যাজিষ্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রন ভার আইন মন্ত্রণালয় হইতে সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয়ে ন্যস্ত করিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে লিখিত নীতিমালা প্রণয়ন করিবে এবং সর্বত্র ন্যায়বিচার ও জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন করিবে।

৮। জাতীয় বেতন স্কেলের সহিত সামঞ্জস্যতা ক্রমে গার্মেন্টস সহ সকল শ্রমিকের বেতন নির্ধারণ করা বাংলাদেশ শান্তির দল সরকারি বেতন স্কেলের সহিত সামঞ্জস্যতা রক্ষা করিয়া গার্মেন্টসসহ সকল শ্রেণির শ্রমিকদের জীবনের মান উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত বেতন স্কেল ও শ্রমনীতি প্রণয়ন করিবে এবং গার্মেন্টসসহ শিল্প- কারখানায় যেন অসন্তোষ, অবরোধ, ধর্মঘট, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ না ঘটে উহা নিশ্চিত করিবে।

৯। তেল, গ্যাস, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ উত্তোলনে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ বাংলাদেশ শান্তির দল তেল, গ্যাস, কয়লাসহ সকল প্রকার প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন ও বিপণনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ক্রমে উত্তোলনে কোন বিদেশী রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বিধি ও রীতিনীতির বাহিরে যেন অধিক মুনাফা নিতে না পারে শান্তির দল উক্ত বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবে।
১০। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়া বাংলাদেশ দুর্নীতিতে বিশ্বে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হইয়াছে এবং এখনো বিশ্বের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের একটি। এই সর্বগ্রাসী দুর্নীতি অর্থনৈতিক উন্নতি ও দারিদ্র বিমোচনের প্রধান বাধা। তাই, বাংলাদেশ শান্তির দল সরকারি ও বেসরকারি অফিসে, কার্যালয়ে ও মন্ত্রণালয়ে ঘুষ ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ যে কোন প্রকার দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি কার্যকর ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করিবে এবং দক্ষ, শক্তিশালী ও স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।

১১। নারী, শিশু পাচার ও নির্যাতন বন্ধ করা জাতিসংঘের হিসাব মতে বিগত ৪৫ বছরে বাংলাদেশ হইতে ৮ লক্ষ নারী ও
শিশু বিদেশে পাচার হইয়াছে। যাহা অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও মানবতা বিধ্বংসী। তাই, শান্তির দল বাংলাদেশ হইতে নারী, শিশু পাচার ও নির্যাতন
বন্ধ করিবে।

১২। খাদ্য ভেজালমুক্ত করা খাদ্যে নানা প্রকার ভেজালের কারনে জাতীয় জনস্বাস্থ্য আজ হুমকির সম্মুখীন। তাই, বাংলাদেশ শান্তির দল মাছ, শাক-সবজী, দুধ, মিষ্টি ও ৭ ফলমূলসহ সকল প্রকার খাদ্যকে ফরমালিন, কার্বাইড, রং ও ভেজালমুক্ত রাখার সর্বাত্মক প্রদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

১৩। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়া মাদক আগ্রাসনে বাংলাদেশের যুব সমাজ ধ্বংসের মুখোমুখী। তাই, বাংলাদেশ শান্তির দল ফেন্সিডিল, ইয়াবা, হিরোইন এবং দেশী-বিদেশী মদসহ যে কোন প্রকার মাদকদ্রব্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ও বিক্রয় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

১৪। চাঁদাবাজী, সন্ত্রাস, গুম, খুন বন্ধ করা বাংলাদেশের নদীপথে, সড়ক পথে, হাইওয়েতে, বাসা-বাড়ীতে এবং দোকান-পাটে সংগঠিত ভয়ঙ্কর সব ডাকাতিতে অগণিত মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হইতেছে। তাই, বাংলাদেশ শান্তির দল ডাকাতি, হত্যা, ছিনতাই,অপহরণ, গুম, ভাড়াটিয়া খুনীদের দ্বারা খুন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, ইভটিজিং ও টেন্ডারবাজী ইত্যাদি অপরাধ বন্ধে সকল প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

১৫। ভ‚য়া মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি, শেয়ার বাজার কেলেংকারী ও ব্যক্তি পর্যায়ে সুদের ব্যবসা বন্ধ করা বাংলাদেশ শান্তির দল ব্যক্তি পর্যায়ে সুদের ব্যবসা করা, বেআইনী ভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা মুনাফা অর্জনের মাধ্যমে শেয়ার বাজার ধ্বংস করিয়া লক্ষ লক্ষ মানুষকে সর্বস্ব হারা করা, ব্যবসায়ে অবৈধ মুনাফা অর্জন করা, কতিপয় ভুয়া মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানী কর্র্তৃক জনগণের শত সহস্র কোটি টাকা আত্মসাৎ করা এবং কতিপয় এন.জি.ও কতৃর্ ক বাণিজ্যিক ব্যাংক অপেক্ষা অধিক হারে সুদ/সার্ভিস চার্জ/মুনাফা আদায় করা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

১৬। অসহায় মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য সামাজিক নিরাপত্তা ফান্ড গড়িয়া তোলা ৮ বাংলাদেশ শান্তির দল সকল অসহায় মানুষের জন্য অর্থনৈতিক মুক্তি ও নিরাপত্তা অর্জনের লক্ষ্যে উন্নত দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও সরকারি ও বেসরকারি চাকুরীজীবিদের মাসিক বেতন হইতে শতকরা ২ (দুই) টাকা হারে কর্তন করিয়া জনগণের জন্য একটি স্থায়ী সামাজিক নিরাপত্তা ফান্ড গড়িয়া তুলিবে এবং উক্ত ফান্ড দ্বারা উন্নত দেশের ন্যায় বেকার ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধি ভাতা, অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব ও অচল ভাতা ইত্যাদি প্রদান করিবে এবং সকলের জন্য অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধান করিবে।

১৭। স্বেচ্ছাদান তহবিল ও যাকাত আদায় বাংলাদেশ শান্তির দল ন্যায়ের আদেশের আলোকে জনগণের কল্যাণের জন্য যাকাত ও স্বেচ্ছাদান তহবিল সংগ্রহ করিয়া অচল, অন্ধ, বৃদ্ধ, বিধবা, ইয়াতিম, দরিদ্র ও সকল অসহায় নর-নারীদের মধ্যে যাকাতের বিধি ও দানের নীতি অনুযায়ী আর্থিক অনুদান প্রদান করিবে।

১৮। ইসলামী মূল্যবোধ ও সকল স¤প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা বাংলাদেশের অধিকাংশ নাগরিক ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় এই দল বাংলাদেশে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করিবে এবং পাশাপাশি সকল ধর্মের নাগরিকবৃন্দের ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করিবে।

১৯। জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণœ রাখিয়া সম-মর্যাদার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করা বাংলাদেশ শান্তির দল পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণœ রাখিয়া সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সহিত বন্ধুত্ব বজায় রাখিবে এবং বিশ্ব মানবতার মুক্তি ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক ভ‚মিকা পালন করিবে।

বাংলাদেশ থেকে সকল অন্যায়, অবিচার, অনিয়ম ও দুর্নীতি অপসারণ ক্রমে সুনীতি, সুবিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করিয়া বাংলাদেশকে একটি শান্তিময় ও সমৃদ্ধশালী দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে সকলকে বাংলাদেশ শান্তির দলের পতাকাতলে একতাবদ্ধ হওয়ার আহŸান করা গেল।